বিশ্বের শীর্ষ ৭ টি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবং তাদের পরিচিতি

বিশ্বের শীর্ষ ৭ টি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবং তাদের পরিচিতি
বিশ্বের শীর্ষ ৭ টি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা এবং তাদের পরিচিতি

মহাকাশ গবেষণা সংস্থা  –  নীল আকাশ নিয়ে রহস্যের শেষ নেই আমাদের। দিনের ঝলমলে আকাশের সাথে রাতের তাঁরা ভরা আকাশের কোন মিলই যেন খুঁজে পাওয়া য়ায় না।

সীমাহীন মহাকাশ মানুষের মনে সৃষ্টি করেছে নানা কৌতুহল। সেই কৌতুহল থেকে সৃষ্টি হয়েছে মহাকাশ নিয়ে গবেষণার আগ্রহ। মহাআকাশ নিয়ে প্রবল আগ্রহ থেকে বিভিন্ন দেশে স্থাপন করা হয়েছে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র।

এ সম্পর্কে  অধ্যয়ন ও মহাকাশের খুটিনাটি যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করার জন্য স্থাপিত  মহাকাশ সংস্থাগুলোতে রয়েছে উচ্চমানের উন্নতধরনের সকল প্রযুক্তিগত গবেষনা ব্যবস্থা।

বিশ্বের শীর্ষ টি মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম নিচে দেয়া হলো: – 

এস.এস.আইক্যালিফোর্নিয়ায় স্পেস স্টাডিজ ইনস্টিটিউট: –

১৯৭৭ সালে ক্যালিফোর্নিয়ায় স্পেস স্টাডিজ ইনস্টিটিউটটি  প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি একটি  অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। এই সংস্থাটি মহাকাশে  কক্ষপথ মিশনগুলি বোঝার জন্য ট্রান্সপোর্ট সম্পর্কিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে গবেষণা করে থাকে। এছাড়াও  এটির কিছু গুরুত্বপূর্ণ গবেষণায় অগ্রাধিকার রয়েছে যেমন নন-পার্থিব পদার্থ সম্পর্কিত গবেষণা।

. জ্যাক্সজাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি: –

জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সিটি ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর মূল কাজটি প্রযুক্তিগত বিকাশ, গবেষণা কাজ এবং কক্ষপথে উপগ্রহের উদ্বোধন, চাঁদ গবেষণা, গ্রহাণু ডেটা এবং অন্যান্য অনেক মহাকাশ গবেষণা পর্যবেক্ষণ করা।  এটি বৃষ্টিপাত এবং কার্বন ডাই অক্সাইড পর্যবেক্ষণ পর্যবেক্ষণের জন্যও কাজ করে তাকে।

. সিএনএসএচীন জাতীয় মহাকাশ প্রশাসন:-

সি.এন.এস.এ  বর্তমানে টেলিযোগাযোগ এবং পৃথিবী পর্যবেক্ষণের জন্য উপগ্রহ স্থাপনার সাথে জড়িত।  ২০০৩ সালে চীন আমেরিকা ও রাশিয়া এক ত্রৈমাসিকায় মানব স্পেসফ্লাইট ক্ষমতা তৈরি করতে যোগ দিয়েছিল। এবং সর্বশেষ মানবহীন চন্দ্র-ল্যান্ডা এবং রোভারটি সফলভাবে ২০১৩  সালে চাঁদে পৌছেছিলো।

৪. ইসরো – ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা:-

ইসরো হচ্ছে মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে পৌঁছানো প্রথম এশিয়ান স্পেস এজেন্সি । এটি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম সংস্থা যেটি কিনা  প্রথম প্রচেষ্টাতে এই মিশন অর্জন করেছে।  ১৯৬৯ সালে এটি গঠিত হয়েছিল। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ইসরো ৭৫ স্পেসক্র্যাফটকে মহাকাশে পাঠিয়ে ব্যার্থ হয়েছে। তবুও তারা এর সফলতার জন্য নিবির ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

৩. ইএসএ – ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি:-

আইএসএস এর ভেতরে কর্ম দক্ষতার জন্য অন্যতম সেরা স্পেস এজেন্সি হচ্ছে ইএসএ।  এটি ১৯৭৫ সালে দশ সদস্য রাষ্ট্র দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। যাকিনা বর্তমানে  ২২ সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত।

 ২. আরএফএসএরাশিয়ান ফেডারেশন স্পেস এজেন্সি:-   

 আরএফএসএ আইএসএস বা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনগুলির অন্যতম অংশীদার। এটি মহাকাশ যানবাহন, প্রবর্তক এবং স্থলভিত্তিক অবকাঠামোগত উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত শীর্ষস্থানীয় এজেন্সিগুলির মধ্যে একটি।

১৯২২ সালে  প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই এজেন্সিটি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম স্পেস এজেন্সি। যদিও এটি প্রাথমিক বছরগুলিতে আর্থিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিল তবে পরবর্তিতে অনেকগুলি সফল মিশন চালু করতে সক্ষম হয়।

. নাসান্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন:-

ন্যাশনাল অ্যারোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কারি প্রতিষ্ঠান  নাসা হচ্ছে বর্তমানে এক নম্বর স্পেস এজেন্সি। এটি ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তখন থেকে উচ্চ প্রোফাইল স্পেস প্রোগ্রামগুলিতে জড়িত।

প্রকল্প অ্যাপোলো ছিল নাসার দ্বারা পরিচালিত চাঁদের প্রথম অনুসন্ধান মিশন।  বর্তমানে নাসা বেশ কয়েকটি মিশনে নিয়োজিত রয়েছে যা জলবায়ু পরিবর্তন, মিঠা পানির সন্ধান, সূর্যের বিকাশের পেছনের রহস্য এবং অন্যান্য গ্রহের জীবন ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করে আসছে।

curious

শেয়ার করুন -

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন