টাইটানিক জাহাজ – ডুবে যাবার বিস্ময়কর এক কারণ

টাইটানিক জাহাজ - ডুবে যাবার বিস্ময়কর এক কারণ
টাইটানিক জাহাজ - ডুবে যাবার বিস্ময়কর এক কারণ

টাইটানিক জাহাজ ডুবে যাবার বিষয়টি হয়তো আমরা কম বেশি সবাই জানি। সে সময়ের এতো শক্তিশালি  জাহাজটি সামান্য একটি ভুলের কারনে ডুবে গিয়েছিল হাজারো যাত্রী নিয়ে। তবে আপনাকে যদি বলা হয় সেই জাহাজটি ডুবে যাবার কারনটি ছিল এক অভিশপ্ত মমি তাহলি কি আপনি বিশ্বাস করবেন?

অন্তত এই ২০২০ সালে এসে এমন উদ্ভট কথা হয়তো কেউ আমলেই নিতে চাইবেনা এমন কি আমিও না। কিন্তু আপনি বিশ্বাস করুন আর নাই বা করুন। টাইটানিক জাহাজ ডুবে যাবার পেছনে এই সময়ে এসেও অনেকে দায়ি করেন সেই অভিশপ্ত মমির।

অভিশপ্ত মমি – 

সময়টা ছিল ১৮৯০ সাল। সে সময় ব্রিটিশ ধনাঢ্য একজন ব্যাক্তি লুক্সরের প্রত্নত্ত্ববিদ দের কাছ থেকে রাণী আমেনরা এর মমিটিকে সহগ্রহ করেছিলেন। সে সময় তিনি তার ক্রয়কৃত মমিটিকে নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি জাহাজে তুল্লেন।

তবে অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে মমিটি যখন বন্দরে পৌছেছিল, তখন একে গ্রহন করার জন্য কাউকেই খুজে পাওয়া যায়নি। এমন কি এর মালিক কেও নয়। পরবর্তিতে জানা যায়, সেই ব্রিটিশ ব্যাক্তির তিন জনসঙ্গীর মধ্যে একজনের অপমৃত্যু হয়।

অন্যজন দুর্ঘটনায় একটি হাত হারান এবং তৃতীয় জন তার সর্বস্ব হারিয়ে দেউলিয়া হয়েযান। অতপর মমিটি ইংল্যান্ডে পৌছালে সেখানকার স্থানিয় এক পুরানো মালামালের ব্যাবসায়ী উক্ত মমিকে কিনে নেন। তবে অবাক করার বিষয় হচ্ছে সেই মমির অভিশাপ তাকেও ছাড়েনি।

জানা যায় মমিটিকে ক্রয়ের পরে সেই ব্যাবসায়ীর পরিবারের সকল সদস্য সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। অন্যদিকে একই সময়ে তার বাসস্থানের সব কিছুই আগুনে পুড়ে ছাই হয়েযায়। আর তখন থেকেই এই মমিটিকে সবাই অন্য এক দৃষ্টিতে দেখতে শুরু করে।

অতপর এর মালিক মমিটির কাণ্ডগুল বুঝতে পারেন এবং তিনি তখন মমিটিকে ব্রিটিশ জাদুঘরে দান করেদেন। অনেকটা হলিউডের মুভির মত মমিটি ক্রমশই আরো ভয়ঙ্কর হতে শুরু করে। কয়েক ঘন্টা পরে দেখা যায় সেই জাদুঘরের একজন কর্মকর্তা ও কিছু প্রহরীরা সেই মমির কফিনের সাথে তাদের মাথা ঠুকাতে থাকেন এবং সেইখান থেকে সবাই গোঙ্গানির শব্ধ শুনতে পান।

পরদিন থেকেই জাদুঘরের জিনিসপত্র ছড়ানো ছিটানো পড়ে থাকতে দেখা যায় প্রতিদিন। যদিও তার কোন ব্যাখ্যা সে সময়ে কেউ দিতে পারেনি।  কিছুদিন না যেতেই সেখান থাকা এক প্রহরীর অপমৃত্যু ঘটলে ঘটনাটি সে সময়ে ব্যাপক আলোরন তুলে।

তখন একজন ফটোগ্রাফার সেই মমিটির একটি ছবি তুলেন। ছবিটি এতটাই ভয়ংকর ছিল যে তিনি সহ্য করতে না পেরে নিজেই আত্মহত্যা করে বসেন। এত সব ঘটনার কোন কুল কিনারা না পেয়ে জাদুঘর কর্তৃপক্ষ সেই মমিটিকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়।

তবে স্থানিয় দর্শনার্থীদের প্রবল আগ্রহের কারণে তা আর সম্ভব হয়ে উঠেনি। এর কিছুদিন পরে একজন আমেরিকান প্রত্নতত্ত্ববিদ অনেক টাকার বিনিময়ে মমিটিকে কিনে টাইটানিক জাহাজে আমেরিকার উদ্দেশ্যে তুলে দেন।

অতপর টাইটানিক জাহাজের শেষ পরিস্থিতিতো আমরা সবাই জানি। ঘটনাটি অদ্ভুত এবং আশ্চর্যেরো বটে, তবে এর সত্যতা নিয়ে কিন্তু আজ অব্দি অনেক বিতর্ক রয়েছে।

curious 1

আরো পড়ুন –

দ্য সিম্পসন কার্টুন এবং ভবিষ্যৎ কিছু বর্ণনা
শেয়ার করুন -

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য লিখুন
আপনার নাম লিখুন